কৃষ্ণচূড়া

zscakc8buqca5xlaflca3t56rfcattsq8fcahm8su3cagkngbycafcqo8rca6s9wzdcaqj7ufacar42f7qca3bkb1jcas0vi7bcaz1xegkcaa54ym2cahir9f2ca2axnlqcazqqhzfcaybjo72

উতসর্গঃ আব্দুল্লাহ আল নূর তানিম । প্রিয় বন্ধুবরেষু…

এক.

রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে প্রচন্ড রকম পানির তৃষ্ণা হয় । বুক ফেটে যাবার মত সুতীব্র একটা যন্ত্রণা । বিছানা থেকে উঠে রান্না ঘরে যে যাব তাতেই খুব আলসেমি লাগে । এজন্য বেশীর ভাগ সময়ই টেবিলে একটা জগ আর গ্লাস রেখে দেই । কাল রাতে রাখা হয় নি । উঠে যে যাব তারও উপায় নেই । পুরো ঘর জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার । এই ধরনের তীব্র অন্ধকারে আমার খুব ভয় হয় । আমাদের ড্রেপার্স স্ট্রীটে সাধারণত এমন অন্ধকার থাকে না । আমার জানালা থেকে খানিকটা দূরে ছোট পাব টার ঠিক সামনে বড় একটি নিয়ন বাতি সারারাত জ্বল জ্বল করে । ঘরের আলো বন্ধ করে দিলেও রাস্তার নিয়ন আলোটাতে সারারাত আলোকিত হয়ে থাকে ।মাঝে মাঝে দু’একটা গাড়ী হুস্ করে চলে গেলে এক মুহূর্তের জন্য একটু আলোর দেখা মেলে । তারপর আরো অন্ধকার । আর তাছাড়া আকাশ পরিষ্কার থাকলে চাঁদ না হয় তারা একটা না একটা থাকেই । গতকাল ইলেক্ট্রিসিটি কিনতে ভুলে গিয়েছিলাম । ইমার্জেন্সিও মনে হয় শেষ হয়ে গেছে । পাশের কিওস্কটাও বন্ধ হয়ে যাবার কথা । কোথায় যেন খুট খাট শব্দ হচ্ছে । রাত হয়ে গেলেই এই এক সমস্যা । চারিদিক থেকে নানান ধরনের শব্দ । দিনের বেলায় এই শব্দ গুলো সম্ভবত রাত হবার জন্য অপেক্ষা করে । রাতের এই অজানা শব্দ গুলোর সম্ভবত কোনো সম্মোহনী ক্ষমতা আছে । চাইলেও কান থেকে যেতে চায় না । একদিক থেকে ভালই । রাতের নিস্তব্ধতা বলে যে ব্যাপারটা আছে তা নিমিষেই হারিয়ে যায় । ঘরে আমি ছাড়া আর দ্বিতীয় কোন মানুষ থাকবার কথা না । সুতরাং শব্দ কোথথকে আসছে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না । খুব স্পষ্ট একটা শব্দ । মাথা তুলে যে উঠব সে উপায় নেই । মাথায় অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছে । ভোঁতা ধরনের যন্ত্রণা । সেল ফোন টা অন করলে হয়ত কিছুটা আলোর দেখা পেতে পারি । তাও অন করতে ইচ্ছা করছে না । অন করলেই দুনিয়ার সব ঝামেলা এসে একসাথে হবে । কয়দিন ধরে বন্ধ আছে সেলটা ? পনেরো দিন তো হবেই । এরি মধ্যে নিশ্চয়ই দেশ থেকে গোটা বিশেক মেসেজ আসবার কথা । ভুল উচ্চারনে ছোটচাচার ভয়েস মেল থাকবার কথা । “ বাবা রাশেদ, আর্ঝেন্ট দরকার , ফোন করিও ।” চাচার “আর্ঝেন্ট” শব্দটা শুনলে মনে হতে পারে কয়েক মিনিটের মধ্যে ফোন না করলে তিনি হয়ত মারা যাবেন । এজন্য প্রথম দিকে সাথে সাথেই ফোন করতাম । এখন আর করি না । এক মাস পরে করলে যে কথা একদিন পরে করলেও সে একই কথা । চাচার প্রয়োজন মানেই হচ্ছে কিছু পাউন্ড পাঠানোর কথা । ব্যাবসা করবেন । গত আট বছরে তিনি অনেক ধরনের ব্যাবসা করলেন । একবার করলেন ফোন ফ্যাক্সের ব্যাবসা । সেটা নাকি সেসময় হট কেক । চাচার ভাষ্য অনুযায়ী , “বুঝলা বাবা ? পাবলিকের কাজ হইলো কথা বলা । সে তো তা বলবেই । তুমি আটকাইবা কেমনে ? যে যুগ পরসে , তাতে অলিতে গলিতে প্রেম পিরিতি । পোলাপান তো বাসায় কথা বলতে পারে না । ” আমার এধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত ফোনের এপাশ থেকে খুব নিরব একটা দীর্ঘঃ শ্বাস ফেলা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না ।

চাচার কাছে আমাদের কিছুটা ঋণও আছে । আমার বাবা–মা বছর বিশেক আগে একটা রোড এক্সিডেন্টে মারা যান । আমার আর আমার ছোট বোনের বয়স তখন অনেক কম । ছোট চাচার কাছেই আমাদের বেড়ে উঠা । চাচার কোন সন্তান ছিল না । এই নিয়ে চাচাকে আমি কোনদিন দুঃখিত হতেও দেখিনি । আমার ধারনা ছিল টাকা-পয়সার চিন্তা ছাড়া চাচা আর কিছুই চিন্তা করতে পারেন না । আমার ছোট বোন প্রিয়তি কে যেদিন তার শ্বশুর বাড়ীতে তুলে দিলাম আমার কাছে কেন জানি পৃথিবীর সব ধরনের দায়িত্ব থেকে মুক্ত মনে হয়েছিলো । সবাইকে খুব অবাক করে দিয়ে ছোট চাচা সেদিন ছোট বাচ্চাদের মত কেঁদেছিলেন অথচ প্রিয়তির প্রতি তার এই মমতা কখনোই বুঝতে পারিনি । তার কিছুদিন পর আমার ছোট চাচী কোন অসুখ বিসুখ ছাড়াই এক রাতে মরে গেলেন । আমি সেদিন খুব অবাক হয়েছিলাম । মৃত্যূ ব্যাপারটা কেমন জানি আমাকে কখনই কষ্ট দেয়নি । কিন্তু আমার মনে আছে , তাঁর মৃত্যর পর আমি অনেকদিন কারো সাথে কথা বলি নি । ছোট চাচী আমার বন্ধুর মত ছিলেন । বলতে গেলে আমি সবসময় তার সাথেই থাকতাম । ছোট চাচা প্রাথমিক ভাবে খুব কাতর হয়ে গেলেন । সারাদিন ফরিদা ফরিদা করে মাতম করেন । ও , বলাই হয়নি আমার ছোট চাচীর নাম ছিলো ফরিদা । চাচীর চল্লিশার ঠিক পনেরো দিন পরেই ভয়ানক রকম ফর্সা আর অনেক লম্বা এক মহিলাকে চাচা ধরে নিয়ে আসেন । আমার কাছে মনে হয়েছিলো উনাকে সম্ভবত ইউরোপের কোন দেশ থেকে ধরে আনা হয়েছে । আমার সাথে তার দেখা হতেই খুব কারন দর্শানোর ভঙ্গি নিয়ে চাচা বুঝালেন , বাবা রাশেদ , বয়স তো কম হইলো না । এই বুড়া বয়সে একজন দেখার লোক তো লাগে, কি বলো ? পারভীন অতি ভালো মেয়ে । এই বলে আমার সাথে নতুন চাচীর পরিচয় করিয়ে দিলেন । “ পারভীন, এ হইলো গিয়া আমার বড় ভাইয়ের পোলা রাশেদ । ভার্সিটিতে পড়ে ” আমার নতুন চাচী মানুষটা অদ্ভুত । খুব শান্ত শিষ্ট । সারাদিন গুন গুন করে একলা গান করেন । আমরা কেউ কাছে গেলেই সে গান থেমে যেত । ভদ্রমহিলাকে দেখে আমার সবসময় মনে হোত তিনি কোন এক কারনে সারাদিন আতংকিত থাকেন । আমার আর নতুন চাচীর মধ্যে একটা মিল লক্ষ্য করেছিলাম । আমার মত তিনিও প্রায়ই আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটির সামনে একা একা দাঁড়িয়ে থাকতেন । আমাদের বাসার সামনের খালি জায়গাটায় একটা বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিলো । আমার ঠিক মনে নেই কবে এই গাছ লাগানো হয়েছিলো । সম্ভবত বাবা মারা যাওয়ার আগে । এতটুকু মনে আছে , গাছের প্রতি বাবার প্রচন্ড একটা টান ছিলো । আমাদের বাসায় সে কারনেই অনেক গাছ । কিন্তু কি কারনে যেন এই কৃষ্ণচূড়া গাছটি আমাকে সব সময় টানত । শীতকালে গাছে যখন প্রচুর ফুল ফুটত , দূর থেকে মনে হতো আমাদের বাড়ীটিতে আগুন ধরে গেছে । এই গাছটির সাথে আমার কোথায় যেন একটা মিল খুঁজে পেতাম । সবচাইতে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে বাসার অন্য সব গাছ গুলোতে সারাদিন এত পাখির আনাগোনা অথচ আমাদের এই কৃষ্ণচূড়া গাছটিতে কোন দিন কি কারনে যেন কোন পাখি বসত না । আমার মনে হতো এই নিয়ে গাছটির দুঃখের সীমা ছিল না । তাই হয়ত গাছটির সাথে আমার খুব মিল খুঁজে পেতাম । আসলে আমরা দু’জনই ভীষন একা ছিলাম ।

দুই.

কম্পাস গ্রুপের এই বত্রিশ তলার উপরের অফিসটাতে আমি আগে কখনো আসিনি । বিশাল রিসেপশন । ঘরটার ইন্টেরিয়র যে কোম্পানী করেছে , তারা বেশ রুচিবান বোঝা যাচ্ছে । ঘরটাকে কেমন যেন সমুদ্রের মত লাগছে । হালকা নীল একটা আভা চারিদিকে ছড়ানো । ডান দিকের কোনায় একটা রিসেপশন কাউন্টার , সাদা রঙের চমতকার কিছু রিভলভিং চেয়ার আর মাঝখানে ছোট্ট একটি টেবিল ছাড়া আর কিছু নেই । কাঁচের দেয়াল থেকে বাইরের পৃথিবীকে খুব অপরিচিত লাগছে । এত উপর থেকে ম্যাঞ্চেস্টার শহরটাকে আগে কখনো দেখি নি । উপর থেকে সিটি সেন্টার টাকে খেলনার মত মনে হচ্ছে । কাউন্টারে বসে থাকা মেয়েটা অনেক্ষন ধরেই কোন নড়াচড়া করছে না । একদম মূর্তির মত কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে আছে । কি ট্রেনিং দেয়া হয়েছে কে জানে । কাছে গিয়ে খুব বিকট চিতকার করলে মেয়েটার কি অবস্থা হয় একটু দেখার ইচ্ছা । হঠাত করেই আমাকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি রিন রিনে গলায় বলল, “ মি.রাশেদ আপনি ভেতরে যেতে পারেন ।” এতক্ষন ভয় লাগেনি । এখন কেমন জানি ভয় লাগছে । ভয় লাগলে আমার সাধারণত কপাল ঘামতে থাকে , মুখের থুথু শুকিয়ে যায় । আজকের দিনটা আমার জন্য বিশাল একটা ব্যাপার । কম্পাস গ্রুপের সাথে কোন কাজ করতে পারা যে কোন কোম্পানীর জন্য বিশাল একটা ব্যাপার বলেই আমার ধারনা । বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যাবসা । আমার এই প্রজেক্ট স্ট্র্যাটেজি যদি এদের পছন্দ হয় , আগামী তিন বছরের জন্য কন্ট্রাক্ট । বড় বড় রিটেইল শপ গুলোতে আমাদের স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী স্ট্রাকচার করা হবে ।

- আসতে পারি ?
- অবশ্যই । বসুন মি. রাশেদ । আমি ক্রিস পাইপ । কোম্পানীর একজন অতি তুচ্ছ চাকর , হা হা হা

এখানে হাসার কি আছে বুঝতে পারছি না । মধ্য বয়স্ক একজন লোক । প্রথম দেখাতে এই ভদ্রলোকের চেহারা দেখলে সবারই যা মনে হতে পারে তা হচ্ছে , চেহারায় কি যেন নেই । ফিনফিনে পাতলা সোনালী চুল । সাদা সার্টের সাথে হলুদ একটা টাই পরেছেন । দেখেই মনে হচ্ছে টাইটা যেন গলায় জোর করে পরানো হয়েছে ।

- মি. রাশেদ , আমরা কাজের কথায় চলে যাই । আমরা আপনার প্রজেক্টটা দেখেছি । সত্য কথা বলতে কি , খুব ক্রিয়েটিভ । কিন্তু সমস্যা হলো , রিটেইলের ক্ষেত্রে আমাদের সাধারণত খুব ইজি গোয়িং এবং ফ্রেন্ডলি প্রজেক্ট গুলোই ইন্ট্রোডিউস করতে হয় । আমার কাছে প্রজেক্টটা তেমন একটা পছন্দ হয়নি । কিন্তু প্রজেক্ট এডভাইজারদের সেভেন্টি পার্সেন্ট আপনার এই প্রজেক্টের পক্ষে । সুতরাং আমার দ্বিমত আর ধোপে টেকে নি । হা হা হা হা । কনগ্র্যাচুলেশন্স মি. রাশেদ । রিসেপশনের মিস.জেনিথ আপনাকে সব কাগজ পত্র বুঝিয়ে দিবে । বেস্ট অফ লাক ।

-মেনি থ্যাঙ্কস ক্রিস
- কিন্তু একটা ব্যাপার মি.রাশেদ । আমরা এখনি আপনার সাথে তিন বছরের কন্ট্রাক্টে যাচ্ছি না । প্রথম কন্ট্রাক্ট টা এক বছরের । তারপর যদি আমাদের মনে হয় কাস্টমার এই মেথড নিচ্ছে তাহলে আমরা কন্ট্রাক্ট আরো তিন বছরের জন্য যাব । আপনি কি এই শর্তে রাজি ?

এই বলে ভদ্রলোক আমার দিকে খানিকটা ঝুঁকে এলেন ।

- হ্যাঁ । আমি রাজী । আসলে আমি জানি আমার এই প্রজেক্টটা আমি আরো বেশী ডিলে বিক্রি করতে পারতাম । কিছু করার নেই । আমার বাজে সময় যাচ্ছে ।

-আমরা জানি মি.রাশেদ । আমি দুঃখিত তার জন্য । সুযোগ এলে সেটা লুফে নেয়াই আমাদের স্ট্র্যটেজি । হা হা হা হা

কেন জানি ভদ্রলোকের কথার চাইতে তার চেহারার অপূর্ন অংশটাই আমার মাথার ভেতর কাজ করছিলো । এরকম একটা সংবাদে এই লোক যেমনই হোক না কেন , তাকে খুশিতে চুমু দিয়ে দেবার কথা । আমার কেন জানি কথাই বলতে ইছা করছে না । বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে আগামী এক বছরে আমি একজন মিলিওনিয়ার হয়ে যাচ্ছি । ক্রিসের সাথে হাত মিলিয়ে চলে আসার সময় আমি তার চেহারার অপূর্ণ অংশটি ধরে ফেললাম । লোকটির চোখের ওপরে কোনো ভুরু নেই । কি কারনে যেন ঝরে গেছে ।

অফিস থেকে বের হয়েই চাচার “আর্ঝেন্ট” ফোনটি পেলাম । গতকাল প্রিয়তি তার প্রথম সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা গেছে । মৃত্যূর আগে ভাইয়াকে দেখার জন্য নাকি ক্রমাগত কাঁদছিলো । প্রিয়তির একটা মেয়ে হয়েছে । সে ভালো আছে ।

পরিশিষ্টঃ

আজকে রাতেও আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে । ঘামে পুরো শরীর ভিজে গেছে । স্বপ্নে যা দেখেছি তা ঠিক দুঃস্বপ্ন কিনা বুঝতে পারছি না । দেখেছি, আমার বাবা আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটি জড়িয়ে ধরে আছেন । তার গায়ে কোন কাপড় নেই । প্রিয়তি ক্রমাগত কেঁদেই চলেছে , আমি তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছি । আজকে ঘরে ইলেক্ট্রিসিটি থাকলেও, লাইট জ্বালাতে ইচ্ছা করছে না । আমার পাশের ড্রেপার্স স্ট্রীটের নিয়ন লাইট থেকে অস্পষ্ট একটা আলো এসে পড়েছে আমার ঘরে । সকালেই মনে হয় ঠিক করে দিয়ে গেছে । আবছা আলোতে কেমন জানি একটা বিষন্ন পরিবেশ তৈরী হয়েছে । আমার এই বাসার আশে পাশে খুব একটা বাড়ি ঘর নেই । তারপরেও কোথায় থেকে যেন মানুষের কথার আওয়াজ ভেসে আসছে । খুব ক্ষীন স্বরে । রাতের শব্দটা আজকে রাতে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে । খুট খাট শব্দ গুলোও আজ নেই । আমার খুব ইচ্ছা করছে আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটির নীচে গিয়ে দাঁড়াতে । একা একা গাছটি নিশ্চই আগের মত দুঃখী দুঃখী ভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । রাজ্যের সব বিষন্নতা নিয়ে আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটি কি করে যেন বেঁচে আছে ।

আমার মাথায় আবার সেই ভোঁতা যন্ত্রনাটি শুরু হয়েছে । ভয়ানক একটা কষ্ট আমাকে বার বার গ্রাস করে ফেলতে লাগল । মরে যাবার মত ইচ্ছে সম্ভবত এরকম সময়েই হয় ।

অথচ এত সব কিছুর ভীড়েও আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটির দুঃখ আমাকে খুব প্রবল ভাবে দুঃখিত করে গেল ।

One response to this post.

  1. নতুন লেখা আসছেনা কেন? নাকি এখানে দিচ্ছেনা না?

    Reply

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.